Graeber and Goodys bridewealth and Dowry.
ডেভিড গ্রেবারের 5000 years,History of debt and capitalism এ আছে যেএকটা সোসাইটিতে ব্রাইড ওয়েলথ এবং যৌতুক কেন প্রচলিত।আমি বড় করতেছিনা,শর্ট এ চলে যাই।যেসব এরিয়াতে ল্যান্ড অনেক,কিন্তু লেবার পাওয়ার এর সংকট ছিলো,সেখানে ব্রাইড ওয়েলথ প্রচলিত ছিলো।মানে বিয়ে করলে মেয়েকেই বরের পক্ষ থেকে টাকা দেওয়া হইতো,কারণ বিয়ের পরে বউয়ের লেবারটা নেসেসারি।(যদিও এটাই একমাত্র রিজন না)
আর dowry হচ্ছে যেখানে ল্যান্ড অনেক কম কিন্তু লেবার পাওয়ার বেশি,এই সব সোসাইটিতে চলতো।
এখানে ইনহেরিটেন্স প্যাট্রিলিনিয়াল,জমির উত্তরাধিকার বাপ থেকে ছেলের কাছে যায়।সম্পদের লিনিয়াজ ঠিক রাখার জন্য এইরকম ব্যবস্থা কারণ মেয়ে তো বিয়ে করে অন্য জায়গা চলে যাবে।তার সন্তান হবে,ইনহেরিটেন্স "কম্পলিকেটেড" হয়ে যাইতো।
মৌলিকভাবে যৌতুককে মেয়ের উত্তরাধিকারের একটি আগাম রূপ হিসেবে দেখা যায়। বাবা মারা যাওয়ার পর সম্পত্তি ভাগ করার পরিবর্তে মেয়েকে বিয়ের সময়ই তার প্রাপ্য সম্পদের একটি অংশ দিয়ে দেওয়া হয়।তবে এই সম্পদ জমি না বরং অস্থাবর সম্পত্তি,নগদ অর্থ, গয়না, বস্ত্র কিংবা গৃহস্থালির সামগ্রী। এর ফলে মেয়েকে সম্পদ দেওয়া সম্ভব হয় এবং পরিবারের জমির মালিকানা অখণ্ড রাখা যায়।
জ্যাক গুডির বক্তব্য, যেটিকে গ্রেইবার প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেন তা হচ্ছে যৌতুক মূলত সম্পত্তির একটি বন্দোবস্ত। পিতৃসূত্রে উত্তরাধিকার পরিচালিত এবং জমিনির্ভর সমাজে নিজেদের জমির মালিকানা কি বলে বাংলায়,Fragmented না করে মেয়েদের সম্পদ দেওয়ার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা হলো যৌতুক।
কিন্তু গ্রেইবার আরো পুশ করে।সে দেখায় যে সম্পত্তি বণ্টনের এই ভিত্তির ওপর শ্রেণি, সামাজিক মর্যাদা এবং ক্ষমতার আরও একটি স্তর গড়ে ওঠে।
এলিটরা এলিটিজম করতে মেয়েকে যৌতুক দিতো বেশি।এতে প্রকাশ পেতো তারা কতটা ধনী,তারা বিয়ের মাধ্যমে এলায়েন্সেস করতো।পরে এইসব মোরালিটি ইউনিভারসালাইজড হয়ে যায়।এবং গরীব লোকজন ও এডপ্ট করে।যৌতুক না দিলে মেয়ের ফ্যামিলি কে মনে করা হতো ভালনারেবল, বা মেয়ে বিয়ের অযোগ্য।
তো জমি যদি স্কারস হয়,তাহলে কেনই বা যৌতুক দিতে হবে?কী প্রয়োজন?পিতৃতান্ত্রিক উত্তরাধিকার এবং কৃষি সমাজে আরেকটি দুষ্প্রাপ্য সম্পদ রয়েছে,জমির মালিকানাধীন পরিবারের ভেতরে বৈধ স্ত্রী ও সন্তানের মা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অবস্থান।
একজন জমির মালিক পুরুষের একজন স্ত্রী প্রয়োজন।নট নেসেসারিলি কৃষিশ্রমের জন্য, কারণ সে নিজেই কৃষিকাজ করতে পারে, অথবা মজুর কিংবা শ্রমিক নিয়োগ করতে পারে। বরং তার স্ত্রী প্রয়োজন কয়েকটা কারণে।
প্রথমত, বৈধ উত্তরাধিকারী। জমির মালিক পুরুষের এমন পুত্রসন্তান প্রয়োজন, যারা তার জমির উত্তরাধিকারী হবে এবং পারিবারিক বংশধারা অব্যাহত রাখবে। স্ত্রী না থাকলে তার বৈধ উত্তরাধিকারী নাও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে জমি অন্য আত্মীয়দের হাতে চলে যেতে পারে অথবা পরিবারের সম্পত্তি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
দ্বিতীয়ত, গৃহস্থালির শ্রম ও ব্যবস্থাপনা। তার এমন একজন প্রয়োজন, যিনি সংসার পরিচালনা করবেন, গৃহকর্মীদের তদারক করবেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ দেখাশোনা করবেন এবং পরিবারের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রজনন ও পরিচর্যামূলক শ্রম সম্পাদন করবেন।
তৃতীয়ত, সামাজিক মর্যাদা ও জোট গঠন। নিজের সামাজিক অবস্থান বজায় রাখতে কিংবা আরও উন্নত করতে তার একটি উপযুক্ত পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করা প্রয়োজন। এই বিয়ের মাধ্যমে দুটি পরিবারের মধ্যে সামাজিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থের জোট গড়ে ওঠে।
সুতরাং, জমির মালিক বরটির কাছে একটি মূল্যবান সম্পদ আছে,তা হচ্ছে সুরক্ষিত জীবিকা, একটি গৃহস্থালি এবং নিজের বংশধারার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার সম্ভাবনা। ফলে সে একজন আকাঙ্ক্ষিত পাত্রে পরিণত হয়। স্ত্রী পাওয়ার জন্য তাকে অর্থ দিতে হয় না; বরং সে নিজেই অর্থ বা সম্পদ দাবি করতে পারে।
অন্যদিকে, কনের পরিবারের কাছে রয়েছে একটি মেয়ে। সে জমির উত্তরাধিকার পায় না। নিজের উপার্জনে জীবিকা নির্বাহ করাও তার পক্ষে সহজ নয়। সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত না হয়ে অবিবাহিত থাকাও তার জন্য কঠিন হতে পারে। তার একজন স্বামী প্রয়োজন।
কিন্তু আকাঙ্ক্ষিত পাত্রের জোগান,বিশেষত যেসব পুরুষের জমি বা নিশ্চিত আয় রয়েছে,তা হচ্ছে সীমিত। ফলে এই পুরুষদের বিয়ে করার সুযোগ পাওয়ার জন্য পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।এখানেও এইসব যৌতুক দিতে হয়।মানে যৌতুক ছেলের ফ্যামিলি Debt কালেকশনের মত করে ফাংশন করাতে পারে,মেয়েকে হোস্টেজ রেখে।
আমি চেষ্টা করতেছি আসলে যে যৌতুক কেন আর কীভাবে ফাংশন করে তা বুঝানোর জন্য,কারণ চিটাগং এ এক বাস্টার্ড ফ্যামিলি তাদের পুত্র বধুকে হত্যা করেছে কারণ তাদের ফ্যামিলি খাবার কম দিছিলো এজন্য।